[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/fruit-worm-6.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/fruit-borer-3-1.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/Fruit-Borer-1.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/fruit-borer-2.jpeg[/slide]
[/slider]

পোকা আক্রমণের লক্ষণঃ

Neoleucinodes elegantalis পোকা ফল ছিদ্র করে ভিতরের অংশ খায়। ফল খাওয়ার অযোগ্য হয়ে যায়।

পোকার সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ

আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ 

* বাগান নিয়মিত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখা;
* আগাম বীজ বপন ও সুষম সার প্রয়োগ করা

আক্রমণের পর করণীয়ঃ

১. প্রতিদিন পোকাসহ আক্রান্ত ফুল বা ফল সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২. গাছের নিচে ঝরে পড়া ফুল, ফল ও পাতা সংগ্রহ করে মাটির নিচে পুতে ফেলা।
৩. সপ্তাহে একবার ডিম নষ্টকারী পরজীবী যেমন: ট্রাইকোগ্রামা কাইলোনিজ হেক্টর প্রতি ১ গ্রাম হারে এবং কীড়া নষ্টকারী পরজীবী যেমন: ব্রাকন হেবিটর হেক্টর প্রতি ১ বাংকার বা ৮০০-১২০০ টি পর্যায়ক্রমিকভাবে অবমুক্তায়িত করা
৪. প্রতি ১ লিটার পানিতে ৫০ গ্রাম আধাভাঙ্গা নিমবীজ ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে ছেকে টমেটোর ফুল আসার পর থেকে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করা।
৫. অথবা আক্রমণ বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক যেমন: রিপকর্ড বা সিমবুশ ১ মি.লি. / লি. হারে বা এমামেকটিন বেনজোয়েড গ্রুপের কীটনাশক যেমন: প্রোক্লেইম বা সাহাম ১ গ্রাম/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে স্প্রে করা।

তথ্যসূত্রঃ কৃষকের জানালা

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১