[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/IMG_1703.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/IMG_1711.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/IMG_1500.jpg[/slide]
[/slider]

পোকার আক্রমণের লক্ষণ:
স্ত্রী মাছি কচি ফলের নিচের দিকে ওভিপজিটর ঢুকিয়ে ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার স্থান থেকে পানির মত তরল পদার্থ বেড়িয়ে আসে যা শুকিয়ে বাদামী রং ধারন করে । ডিম থেকে কীড়া বের হয়ে ফলের শাস খেতে শুরু করে এবং ফল বিকৃত হয়ে যায় এবং হলুদ হয়ে পঁচে ঝড়ে যায়।

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

* ক্ষেত পরিস্কার পরচ্ছন্ন রাখা ।

*  উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকার পুত্তলি পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন।

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

১. আক্রান্ত ফল বা ফুল সংগ্রহ করে ধ্বংশ করা বা পুড়ে ফেলা।
২. কচি ফল কাগজ বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেয়া ।
৩. প্রথম ফুল আসা মাত্র কুমড়া জাতীয় ফসলের ফেরোমন ফাঁদ স্থাপন করা। প্রতি ১০ শতাংশের জন্য ৩ টি হারে ।
৪.আম বা খেজুরের রসে সামান্য বিষ মিশিয়ে তা বোতলে রেখে জানালা কেটে দিয়ে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৫. পাকা মিষ্টি কুমড়া বা কুমড়া জাতীয় ফল ১০০ গ্রাম কুচি কুচি করে কেটে তাতে সামান্য বিষ ( যেমন- সপসিন ০.২৫ গ্রাম ) মিশিয়ে তা দিয়ে বিষটোপ তৈরী করে মাটির পাত্রে করে ক্ষেতের মাঝে মাঝে স্থাপন করা।
৬. করলা ও লাউ জাতীয় বিভিন্ন ফসলের মাছি পোকার জন্য অনুমোদিত কীটনাশক হলো নিম্নরুপঃ

কীটনাশকের গ্রুপ ও ফসল নমূনাস্বরুপ কয়েকটি কীটনাশকের বানিজ্যিক নাম ও অনুমোদিত মাত্রা দেয়া হলো
কিউলিউর (করলা) কিউ-ফেরো (এপি-২) @ ১০ টি/বিঘা অথবা
প্রফেনফস + সাইপারমেথ্রিন
(করলা ও পটল)
সবিক্রন ৪২৫ ইসি (এপি-৩২২) @ ২ মিলি/লি. পানি অথবা
আলফা সাইপারমেথ্রিন
(লাউ জাতীয় ফসল)
সিকো আলফা ২.৫ ইসি (এপি-৬৪৭) @ ১ মিলি/লি. পানি অথবা

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর এবং Farmers window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১