[slider width=”100%” height=”60%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/Cabbage-with-root-maggot.jpg[/slide]
[/slider]

ক্ষতির প্রকৃতিঃ

এ পোকা রাতের বেলা মাটি বরাবর চারার গোড়া  কেটে দেয়। সকাল বেলা চারা মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা যায় ।

পোকার আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

১. উত্তমরুপে জমি চাষ দিয়ে পোকা পাখিদের খাবার সুযোগ করে দিন;
২. চারা লাগানোর/বপনের পর প্রতিদিন সকালে ক্ষেত পরিদর্শন করুন;

৩. পাখি বসার জন্য ক্ষেতে ডালপালা পুতে দেয়া।।

পোকার আক্রমণের পরে করণীয়ঃ

১। সকাল বেলা কেটে ফেলা চারার আশে পাশে মাটি খুরে পোকা বের করে মেরে ফেলা ।
২। কেরোসিন (২৫০-৩০০ মিলি/বিঘা হারে) মিশ্রিত পানি সেচ দেয়া।
৩। রাতে ক্ষেতে মাঝে মাঝে আবর্জনা জড়ো করে রাখলে তার নিচে কীড়া এসে জমা হবে, সকালে সেগুলোকে মেরে ফেলা।
৪। ক্ষেতের মাটি আলগা করে দেওয়া। 
৫।  আক্রান্ত ক্ষেতে সেচ প্রদান করলে মাটিতে অবস্থিত লার্ভাগুলো মারা যাবে।

৬. এ পোকা নিশাচর, রাতের বেলা সক্রিয় থাকে- তাই রাতে হারিকেন বা টর্চ দিয়ে খুজে খুজে পোকা মেরে ফেলা 
৭. চারা গজানো ফসলের ক্ষেতে বিঘা প্রতি ৪ কেজি চালের কুড়া+১ কেজি চিটাগুড় বা নালি + ১০০ মিলি ডার্সবান (অটো) অথবা ৫০ মিলি ক্যারাটে (সিনজেন্টা) পরিমাণমতো পানির সাথে মিশিয়ে সন্ধ্যার আগমুহুর্তে জমিতে ছিটাতে হবে।

৮. ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ডারসবান (অটোক্রপ) ২০ ইসি @ ১৩০ মিলি/বিঘা বা ইনতেফার কাছির ৪৮ ইসি @ ৩ মিলি/লি. পানি বা এসিআই এর গোলা ৪৮ ইসি @ ৬.৯ মিলি/লি. পানি বা স্কয়ারের পাইক্লোরেক্স ২০ ইসি ৩.৫ মিলি./লি. পাানি হারে অথবা (ক্লোরপাইরিফস+ সাইপারমেথ্রিন) গ্রুপের কীটনাশক যেমন: বাইপোলার ৫০ ইসি বা হাইড্রো বা সেতারা ৫৫ ইসি বা এসিআই এর এসিমিক্স বা স্কয়ারের ক্লোরসাইরিন ৫৫০ ইসি @ ২ মি.লি. / লি. পানি হারে অথবা ল্যাম্ডা সাইহ্যালোথ্রিন গ্রুপের কীটমাশক যেমন: ক্যারাটে (সিনজেন্টা) বা ফাইটার প্লাস (এসিআই) বা রিভা (অটোক্রপ) বা জুবাস (ইনতেফা) ২.৫ ইসি ১.৫ মিলি/লি. হারে পানিতে মিশিয়ে শেষ বিকেলে বা সন্ধ্যার পর গাছের গোড়ায় স্প্রে করা।
বিঃ দ্রঃ স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

তথ্যসূত্রঃ কৃষকের জানালা এবং সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর লিফলেট।

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১