গীমকলমি < উৎপাদন পদ্ধতি

গীমাকলমি সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়

সংগ্রহঃ বীজ বপনের ৪০-৪৫ দিন পর খাওয়ার উপযোগী হয়। শাক সংগ্রহ করার পর ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করলে তাড়াতাড়ি শাক বড় হয়। ফলনঃ বিঘা প্রতি ১৬৫ মণ থেকে ২৫০ মণ গীমাকলমির শাক পাওয়া যায়। তথ্যসূত্রঃ কৃষি প্রযুক্তি ভান্ডার, বারি, গাজীপুর

গীমাকলমি সংগ্রহ ও পরবর্তী করণীয়২০১৬-০৫-১৩T১৩:৩১:২২+০৬:০০

গীমাকলমি চাষে অন্যান্য প্রযুক্তি

পানি সেচঃ বর্ষাকালে সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে একনাগারে বৃষ্টি না হলে ১০-১৫ দিন অন্তর সেচ দেয়া আবশ্যক। অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ চারা গজানোর পর প্রতি বেড প্রতি ৬ ইঞ্চি পর পর একটি করে গাছ রাখতে হবে। জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। তথ্যসূত্রঃ কৃষি প্রযুক্তি হাত বই (৬ষ্ঠ সংস্করণ), বারি, গাজীপুর

গীমাকলমি চাষে অন্যান্য প্রযুক্তি২০১৬-০৫-১৩T১৩:৩১:৪১+০৬:০০

গীমাকলমি চাষে সার ব্যবস্থাপনা

গীমাকলমির ভাল ফলনের জন্য শতাংশ (ডেসিমল) প্রতি নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবে- সারের নাম সারের পরিমাণ মন্তব্য পচা গোবর/কম্পোস্ট ৩২-৪০ কেজি অধিকতর তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন। এলাকা বা মৃত্তিকাভেদে সারের পরিমাণে কম-বেশী হতে পারে। ইউরিয়া ০.৫৭-০.৬৫ কেজি টিএসপি ০.৪-০.৪৮ কেজি এমওপি ০.৪-০.৪৮ কেজি   সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ সমুদয় গোবর, টিএসপি, এবং পটাশ সার শেষ চাষের সময় সমানভাবে ছিটিয়ে [...]

গীমাকলমি চাষে সার ব্যবস্থাপনা২০২১-০২-১৫T২১:৫৪:২২+০৬:০০

গীমাকলমির বপন প্রযুক্তি

বপন সময়ঃ বছরের যে কোন সময়েই চাষ করা যেতে পারে। চৈত্র (মধ্য মার্চ  থেকে মধ্য এপ্রিল) থেকে শুরু করে শ্রাবন মাস (মধ্য জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট) পর্যন্ত বীজ বপন করা যেতে পারে। বীজ হারঃ এক শতকের জন্য বীজের প্রয়োজন ৪০ গ্রাম। বীজ বপন পদ্ধতিঃ বীজ ছিটিয়ে ও সারিতে বপন করা যায়। সারিতে বপন করলে সারি থেকে সারির [...]

গীমাকলমির বপন প্রযুক্তি২০১৬-০৫-১৩T১৩:৩৩:৪১+০৬:০০

গীমাকলমির জাত পরিচিতি

ছবিতে ক্লিক করুন বপন সময় জীবনকাল (দিন) ফলন (বিঘা প্রতি) বারি গীমাকলমি-১ চৈত্র-আষাঢ় (মার্চ-জুন) বীজ বপনের ৪০-৪৫ দিন পর খাওয়ার উপযোগী হয়। ১৬৫-২৫০ মণ এটি পাতাজাতীয় গ্রীষ্মকালীন সবজি। মাটি থেকে খাড়াভাবে উপরের দিকে উঠে।  পাতা, বোঁটা ও কান্ড সবুজ, নরম ও রসালো। না কেটে বেশি দিন বাড়াতে দিলে মাটিতে লতিয়ে বৃদ্ধি পায়। বীজের আবরণ শক্ত, বর্ণ [...]

গীমাকলমির জাত পরিচিতি২০১৭-০৪-০১T২১:৩৬:৩৬+০৬:০০
Go to Top