পটল < উৎপাদন পদ্ধতি

পটলের জাত পরিচিতি

জাতঃ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় স্থানীয় অনেক জাতের পটল দেখা যায়। যেমন- বালি, মুর্শিদাবাদী, কানাইবাঁশী এসব। জাতগুলোর মধ্যে আকার এবং রংয়ের অনেক বৈচিত্র লক্ষ্য করা যায়। যেমন- কোনটি লম্বা ও চিকন, কোনটি লম্বা ও মোটা, কোনটি খাট ও মোটা, কোনটি গাঢ় সবুজ, কোনটি হালকা সবুজ, কোনটি ডোরাকাটা, কোনটি ডোরাবিহীন, কোনটির পুরু ত্বক আবার কোনটির পাতলা ত্বক। [...]

পটলের জাত পরিচিতি২০২১-০২-১৫T২১:১৭:১৭+০৬:০০

পটলের বপন/রোপন পদ্ধতি

জলবায়ু ও মাটিঃ পটল গাছের দৈহিক বৃদ্ধি এবং ফলনের জন্য উষ্ণ এবং আর্দ্র আবহাওয়া দরকার। এ জন্য খরিপ মৌসুম পটল চাষের উপযুক্ত সময়। পানি ষ্কিাশনের সুবিধা আছে এমন উঁচু ও মাঝারী উঁচু জমি এবং বেলে দো-আঁশ থেকে দো-আঁশ মাটি পটল চাষের জন্য উপযোগী। পটল বেশ খরা সহিষ্ণু। তবে পানির ঘাটতি দীর্ঘায়িত হলে ফলন কমে যায়।। [...]

পটলের বপন/রোপন পদ্ধতি২০২১-০২-১৫T২১:১৭:৩৪+০৬:০০

পটল চাষে সার ব্যবস্থাপনা

পটলের ভাল ফলনের জন্য শতাংশ (ডেসিমল) প্রতি প্রতি নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবে – সারের নাম সারের পরিমাণ পচা গোবর/কম্পোস্ট ৪০ কেজি অধিকতর তথ্যের জন্য এখানে ক্লিক করুন। এলাকা বা মৃত্তিকাভেদে সারের পরিমাণে কম-বেশী হতে পারে। ইউরিয়া ১.২০ কেজি টিএসপি ০.৮২ কেজি এমওপি ০.৬১ কেজি জিপসাম ০.২৪ কেজি প্রয়োগ পদ্ধতিঃ ইউরিয়া ছাড়া অবশিষ্ট সকল সার জমি [...]

পটল চাষে সার ব্যবস্থাপনা২০২১-০২-১৫T২১:১৭:৪৮+০৬:০০

পটল চাষে অন্যান্য পরিচর্যা

পরিচর্যাঃ  ভাল ফলন পাওয়ার জন্যে পটলের জমিতে বিভিন্ন পরিচর্যা করতে হয়। যেমন- বাউনি বা মাচা দেয়া: পটল একটি লতানো উদ্ভিদ। তাই পটল গাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি এবং ভাল ফলনের জন্য বাউনি বা মাচা দেয়া অবশ্যই দরকার। বাঁশের কাঠির সাহায্যে চারা গাছকে মাচায় তুলে দেয়া হয়। এক মিটার উচ্চতায় মাচা বা বাউনি দিলে পটলের ফলন প্রায় দ্বিগুণ [...]

পটল চাষে অন্যান্য পরিচর্যা২০২১-০২-১৫T২১:১৮:০৫+০৬:০০

পটল সংগ্রহ ও করণীয়

ফসল তোলা ও ফলনঃ পটল কচি অবস্থায় সংগ্রহ করা উচিত। ফুল ফোটার ১০-১২ দিন পর পটল সংগ্রহের উপযোগী হয়। পটল এমন পর্যায়ে সংগ্রহ করা উচিত যখন ফলটি পূর্ণ আকার প্রাপ্ত হয়েছে কিন্তু পরিপক্ক হয়নি। বেশি পাকা ফলের বীজ শক্ত হয়ে যায় এবং খাবার অনুপযোগী হয়ে পড়ে। জাত ও পরিচর্যার উপর পটলের ফলনের তারতম্য হয়। আধুনিক [...]

পটল সংগ্রহ ও করণীয়২০২১-০২-১৫T২১:১৮:১৯+০৬:০০
Go to Top