আশফল উৎপাদন

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন সংগ্রহ ও করণীয়

ফল সংগ্রহঃ ডালপালায় ঝাকুনি দিয়ে ফল মাটিতে ফেললে ফল আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তবে গাছের নিচে জাল ধরে শাখায় ঝাকুনি দিয়েও ফল সংগ্রহ করা যায়। সমস্ত ফল একসাথে পরিপক্ক হয় না। তাই ২/১ দিন পর পর ফল সংগ্রহ করতে হয়। সংগ্রহের সাথে সাথেই ফল বাজারজাত করতে হবে, কেননা সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে [...]

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন সংগ্রহ ও করণীয়২০২১-০২-১৯T১২:১২:০৪+০৬:০০

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন চাষে সার ব্যবস্থাপনা

আঁশফলের ভাল ফলনের জন্য গর্ত প্রতি নিম্নোক্ত হারে সার প্রয়োগ করতে হবে- সারের নাম সারের পরিমাণ মন্তব্য পচা গোবর/কম্পোস্ট ১৫-২০ কেজি প্রয়োগ পদ্ধতিঃ সমুদয় সার গর্ত করার পর মাটির সাথে মিশিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। মাটি শুকনো হলে গর্তে পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে। এভাবে ১০-১৫ দিন গর্ত ভরাট করে রেখে দিতে হবে। তারপর ভালভাবে আবার কুপিয়ে চারা/কলম [...]

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন চাষে সার ব্যবস্থাপনা২০২১-০২-১৯T১২:১২:৪০+০৬:০০

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন চাষে অন্যান্য পরিচর্যা

সেচ প্রয়োগঃ চারা রোপণের প্রথমদিকে প্রয়োজনমত সেচ দেয়া দরকার। এছাড়া খরা বা শুকনো মৌসুমে পানি সেচ দেয়া ভাল। অতিবৃষ্টির সময় অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তথ্যসূত্রঃ কৃষি প্রযুক্তি হাত বই

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগন চাষে অন্যান্য পরিচর্যা২০২১-০২-১৯T১২:১৩:১৬+০৬:০০

আঁশফলের বপন/রোপণ পদ্ধতি

চারা উৎপাদনঃ গ্রাফটিং ও গুটি কলমের মাধ্যমে চারা তৈরি করা যায়। গর্ত তৈরিঃ  চারা রোপণের ১৫-২০ দিন পূর্বে ১১ হাত × ১১ হাত দূরত্বে সোয়া ৩ ফুট × সোয়া ৩ ফুট × সোয়া ৩ ফুট আকারের গর্ত করতে হবে। গর্ত প্রতি অনুমোদিত মাত্রায় সার প্রয়োগ করে মাটির সঙ্গে ভালভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করে রাখতে হবে। মাটি শুকনো হলে [...]

আঁশফলের বপন/রোপণ পদ্ধতি২০২১-০২-১৯T১২:১৩:৫৫+০৬:০০

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগনের জাত পরিচিতি

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাতের বর্ণনা নিচে দেয়া হলো- ছবিতে ক্লিক করুন জীবনকাল বিঘা প্রতি ফলন অন্যান্য বৈশিষ্ট্যাবলী বারি আঁশফল-১ ফুল আসার সময় ফাল্গুন-চৈত্র (মার্চ) এবং ফল আহরণের সময় শ্রাবণ-ভাদ্র (আগস্ট) মাস। ১০-১৫ মণ প্রতিটি ফলের গড় ওজন ‌ ৩.৫ গ্রাম। ফল গোলাকৃতির, বাদামী বর্ণের, শাঁস সাদা, কচকচে এবং স্বাদ খুব মিষ্টি (মিষ্টতা ২০-২৫%)। খাদ্যোপযোগী [...]

আঁশফল/কাঠলিচু/লংগনের জাত পরিচিতি২০২১-০২-১৯T১২:১৪:১১+০৬:০০
Go to Top