সারের নাম সারের পরিমাণ
মোট পরিমাণ শেষ চাষের সময় প্রয়োগ (Basal) প্রথম বার দ্বিতীয় বার তৃতীয় বার

চতুর্থ বার

কম্পোস্ট ২০-২৪ কেজি
ইউরিয়া ০.৮১-০.৯১ কেজি ০.৮-০.১২ কেজি ০.১-০.১২ কেজি ০.২২-০.২৪ কেজি ০.২২-০.২৪ কেজি ০.১৬-০.১৮ কেজি
টিএসপি ০.৮১-০.৯১ কেজি ০.৪-০.৪৪ কেজি ০.২২-০.২৪ কেজি ০.১৮-০.২ কেজি
এমওপি ১.০-১.২০ কেজি ০.১-০.১২ কেজি ০.১৬-০.২ কেজি ০.২৪-০.২৮ কেজি ০.২৪-০.২৮ কেজি ০.১২-০.১৬ কেজি
জিপসাম ০.৪ কেজি ০.১২-০.১৪ কেজি ০.১৮-০.২ কেজি ০.১-০.১২ কেজি
দস্তা ০.৬-০.৮ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি
বোরণ ০.৬-০.৮ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি
ম্যাগনেশিয়াম সালফেট ০.৬-০.৮ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি ০.৩-০.৪ কেজি

চুন ৬-৮ কেজি

– টেবিলে প্রদত্ত সারের মাত্রা এলাকা ও মৃত্তিকার ভিন্নতার কারণে পরিবর্তন হতে পারে।অধিকতর তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন

সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ

প্রথম বারঃ বপনের ২০-২৫ দিন পর, দ্বিতীয় বারঃ বপনের ৪০-৫০ দিন পর, তৃতীয় বারঃ বপনের ৬০-৭০ দিন পর, চতুর্থ বারঃ বপনের ৭০-৮০ দিন পর প্রয়োগ করতে হবে। চুন বীজ বপনের ২০-২৫ দিন পূর্বে প্রয়োগ করতে হবে।

তুলার পাতায় সার প্রয়োগ (ফলিয়ার স্প্রে):

·       পুষ্টি উপাদান বিশেষত নাইট্রোজেন, পটাশিয়াম, বোরণ এবং দস্তা সার তুলা গাছে পাতায় স্প্রে করা যায়;

·      নাইট্রোজেন ঘাটতির জন্য  ১০ লিটার পানিতে ২০০ গ্রাম প্রয়োগ করা;

·       পটাশ ঘাটতির জন্য  ১০ লিটার পানিতে ১০০ গ্রাম প্রয়োগ করা;

·       দস্তা ও বোরণ ঘাটতির জন্য  ১০ লিটার পানিতে ১৫ গ্রাম বোরণ এবং ১০-১৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করা যায়;

·       বপনের ১০০ দিন পর ফলিয়ার স্প্রে করতে হবে।

উৎসঃ তুলা উন্নয়ন বোর্ড, ঢাকা

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২১