[images picture_size=”fixed” lightbox=”yes” class=”” id=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/jute-cutting.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/leaf-removal.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/jak-3.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/fibre-removal.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/drying.jpg” alt=””]
[/images]

পাট কর্তনঃ

সাধারনত দেশী জাতের পাট গাছে যখন ফুল আসে তখন পাট কাটার সময় হয়। সঠিক সময়ে বীজ বপন করার পর ৯০-১২০ দিনের মধ্যে পাট কাটলে ভাল মানের আঁশ পাওয়া যায় এবং ফলন বেশী হয়। ১২০ দিনের পর ফলন বাড়ে কিন্তু আঁশের মান খারাপ হতে থাকে। তোষা জাতের পাট গাছ ১২০ দিনের মধ্যে পাট কাটলে ভাল মানের আঁশ পাওয়া যায় এবং ফলন বেশী হয়। পরবর্তী ফসল রোপা আমন চাষের জন্য ১১০ – ১২০ দিন বয়সে পাট কাটা হলে ফলন বেশী এবং ভাল মানের আঁশ পাওয়া যায়। পাটের জমিতে ৬০-৯০ দিনের মধ্যে সার প্রয়োগ করা হলে ১২০ দিন পর ভাল ফলন পাওয়া যায়।

বাছাইকরণ ও আঁটি বাঁধাঃ

পাটের জমিতে ছোট বড়, চিকন, মোটা, নানা রকমের পাট গাছ হয়। কর্তনের সময় ছোট ও চিকন গাছ পৃথক করে আলাদা আঁটি (৮-১০ কেজি ওজনের) বাঁধতে হবে।চিকন এবং মোটা পাটের গাছগুলোকে পৃথক পৃথকভাবে জাক দিতে হবে। পাটের আঁটি কখনও খুব শক্ত করে বাঁধবেন না। এতে পাট পচতে বেশী সময় লাগে। কারণ শক্ত আঁটির মধ্যে পানিতে বসবাসকারী পচনকারী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর মুক্তভাবে চলাচল বাঁধাগ্রস্থ হয়।

পাতা ঝরানোঃ

আটি বাঁধা শেষ হলে সেগুলোকে ৩-৪ দিন জমির উপর স্তুপ করে রাখতে হবে। এই সময়ের মধ্যে পাতা ঝরে যাবে এবং গাছগুলো কিছুটা শুকিয়ে যাবে। পাতাগুলো জমির উপর ছড়িয়ে দিতে হবে যাতে ভালো জৈব সারে পরিণত হয়। পাটগাছ কিছুটা শুকানোর ফলে পানিতে ভেজানোর পর তাড়াতাড়ি পানি প্রবেশ করে। তবে পাট কাটার সময় জমিতে পানি থাকলে পাতা না ঝরিয়ে পাটের আটিঁগুলো জমিতেই জাক দেয়া যেতে পারে।

গোড়া থেতলানো ও গোড়া ডুবানোঃ

আঁশ শুকানোর পর দেখা যায় গোড়ার দিকে কিছু অংশ ছালযুক্ত অবস্থায় রয়ে গেছে। এই ছালযুক্ত অংশকে কাটিংস বলে। দুই উপায়ে এই কাটিংস দূর করা যায়।

  • পাতা ঝরার পর পাট গাছের গোড়ার দিকে প্রায় দেড় ফুট পরিমাণ অংশ ৩-৪ দিন পানির নীচে ডুবিয়ে রাখতে হবে। এতে গোড়ার অংশ অনেক নরম হয়ে যাবে; অথবা
  • পাট গাছের গোড়ার প্রায় দেড় ফুট পরিমাণ অংশ একটি হাতুরীর সাহায্যে সামান্য থেতলানোর পর আটিঁগুলোকে পানির নিচে ডুবিয়ে দিতে হবে।

পানি নির্বাচন :
যথাসম্ভব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও অল্প স্রোত যুক্ত পুকুর, ডোবা বা খাল বিলের পানি পাট পচনের জন্য সবচেয়ে ভাল। কোন নিকটবর্তী স্থানে এই ধরনের পানি থাকলে সেই পানিতে পাট পচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

জাক তৈরী ও ইউরিয়া সার ব্যবহারঃ
জাক তৈরীর সময় পাটের আঁটিগুলোকে প্রথম সারিতে লম্বালম্বি, দ্বিতীয় সারিতে আড়াআড়ি ভাবে এবং তৃতীয় সারিতে আবার লম্বালম্বি ভাবে সাজিয়ে জাক তৈরী করলে পানি এবং পচন জীবাণু জাকের মধ্যে সহজে চলাফেরা করতে পারে। ফলে পাট পচন তরান্বিত হয়।

বদ্ধ পানিতে অর্থাৎ পুকুর বা ডোবায় পাট পচালে ইউরিয়া সার ব্যবহার করুন। এতে পাট তাড়াতাড়ি পচে এবং আঁশের রং ভাল হয়। প্রতি ১০০০ আঁটি কাঁচা পাটের জন্য জন্য প্রায় ১ কেজি ইউরিয়া ব্যবহার করা যেতে পারে। ইউরিয়া সার পাত্রে গুলে পচনের পানিতে মিশিয়ে অথবা সরাসরি জাকের আঁটির সারিতে ছিটিয়ে দিলে পাট স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৪-৫ দিন আগেই পচে এবং ধোয়া যায়।

পচন সমাপ্তি নির্ণয় :

পাট পচনের শেষ সময় নির্ণয় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পাট খুব কম পচলে আঁশের গায়ে ছাল লেগে থাকে বা কাটিংস এর পরিমান বৃদ্ধি পায়। আবার বেশী পচলে ধোয়ার সময় আঁশগুলো ছিড়ে যায় ফলে ফলন কমে যায়।

পাট জাক দেওয়ার ৮/১০ দিন পর থেকে জাক পরীক্ষা করা উচিত। ২/৩ টি পচা পাট গাছ জাক থেকে বের করে ধুঁয়ে আঁশ পরীক্ষা করলে পচনের শেষ সময় ঠিক করা যায়। পচা পাটের মধ্যাংশ থেকে ১ ইঞ্চি বা আড়াই সেন্টিমিটার পরিমাণ ছাল কেটে কাঁচের গ্লাসের ভিতর পানি দিয়ে ঝাঁকানোর পর পানি ফেলে আবার পরিস্কার পানি দিয়ে ঝাঁকিয়ে যদি দেখা যায় যে আঁশগুলো পরস্পর পৃথক হয়ে গেছে তখন বুঝতে হবে যে পচন শেষ হয়েছে।

আঁশ ছাড়ানো প্রক্রিয়া :

পচন শেষ পলে পাট গাছ থেকে দুই প্রকারে আঁশ ছাড়ানো যেতে পারে (১) শুকনো জায়গায় বসে প্রতিটি গাছ থেকে পৃথকভাবে আঁশ ছাড়ানো যেতে পারে, অথবা

(২) পানির মধ্যে দাড়িয়ে বাঁশের আড়ানী এক সঙ্গে অনেকগুলো পাটের আঁশ ছাড়ানো যেতে পারে। তবে যে পদ্ধতিতেই আঁশ ছাড়ানো হোক না কেন, আঁশ ছাড়াবার সময় গাছের গোড়ার অংশের পচা ছাল হাত দিয়ে টেনে মুছে ফেলে দিলে আঁশের কাটিংস এর পরিমাণ বা গোড়ার শক্ত অংশের পরিমাণ অনেক কম হয়।

এছাড়া আঁশ ছাড়াবার সময় পাট গাছের গোড়ার অংশ এক টুকরো শক্ত কাঠ বা বাঁশ দিয়ে থেতলে নিলে আঁশে কাটিংসের পরিমাণ অনেক কম হয়। দেখা গেছে গাছ থেকে একটা একটা করে আঁশ ছাড়ালে আঁশের গুণাগুণ ভাল হয়।

আঁশ ধোয়া :
আঁশ ছাড়ানোর পর আঁশ গুলোকে পরিস্কার পানিতে ধোয়া উচিৎ। ধোয়ার সময় আঁশের গোড়া সমান করে নিতে হবে। এমন ভাবে আঁশ ধুতে হবে যেন কোন রকম পচা ছাল, ভাঙ্গা পাট খড়ি, অন্য কোন ময়লা, কাঁদা ইত্যাদি আঁশের গায়ে লেগে না থাকে। কারণ এতে পাটের মান নষ্ট হয়ে যায়।

 

আঁশ শুকানো :
আঁশ মাটিতে না শুকিয়ে বাঁশের আড়ায় বা ঘরের চালে বা গাছের ডালে বা ব্রিজের রেলিং-এ ভাল ভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে আঁশে যেন ময়লা বা ধূলাবালি লেগে না থাকে।

আঁশ গুদামজাত করণ :
আঁশ ভালভাবে শুকিয়ে গুদামজাত বা বাজারজাত করা উচিত। ভিজা আঁশ কখনও গুদামজাত করা উচত নয়। কারণ এতে আঁশের মান নষ্ট হয়ে যায়। আবার ভিজা আঁশ বাজারজাত করলে আর্ন্তজাতিক বাজারে দেশের মান ক্ষুন্ন হয়।

উন্নত মানের পাট আঁশের জন্য স্বল্প ব্যয়ে জাঁক দেওয়ার পদ্ধতিঃ
(ক) পাট জাঁক দেয়ার প্রযুক্তিঃ

১)  প্রথমে পাট কাটা শেষে পাটের জমিতে পাট গাছগুলোকে নির্দিষ্ট ওজনের (১০ সের/কেজি) আঁটি বাঁধতে হবে। আঁটি যেন খুব শক্ত করে বাধা না হয়। আঁটি বাধা শেষ হলে সেগুলা ৩-৪ দিন জমির উপর স্ত্তপ করে রাখতে হবে। এই সময়ের মধ্যে পাতা ঝরে যাবে এবং গাছগুলো শুকিয়ে যাবে।

২)   অতঃপর পাট গাছের আঁটিগুলোকে কোন জলাশয়ে প্রচলিত নিয়মে জাঁক দিতে হবে।  জাঁক তৈরীর সময় পাটের আঁটিগুলোকে প্রথম স্ত্মরে লম্বালম্বিভাবে সাজাতে হবে। দ্বিতীয় স্ত্মরে আঁটিগুলোকে আড়াআড়িভাবে সাজাতে হবে। তৃতীয় স্ত্মরে আবার লম্বালম্বিভাবে সাজাতে হবে। এভাবে জাঁক তৈরী করলে পানিতে থাকা অনুজীব জাঁকের মধ্যে সহজে চলাফেরা করতে পারে এবং পচন ক্রিয়া ভাল হয়।

৩)  একটা পুরোনো/অব্যবহারযোগ্য চটের কাপড় বা বস্ত্মা দিয়ে জাঁক দেওয়া পাটের উপরিভাগ ঢেকে দিতে হবে। কাপড়ের বা বস্ত্মার শেষ প্রান্ত্ম গুলো যেন পানির মধ্যে থাকে। পানির কৌশিক আর্কষণে (ঈধঢ়রষষধৎু অপঃরড়হ) ফলে চটের উপরিভাগ ভিজে থাকার জন্য জাঁকের উপরের দিকের পাট গাছগুলো সহজে শুকোবেনা এবং সমানভাবে ভিজে থাকবে।

১) পলিথিন ব্যাগে বালি, ইটের টুকরো অথবা ছোট পাথর ভর্তি করে (Weighting material) তৈরী করতে হবে যা জাঁকের পানিকে বেশী কলুষিত করে না। এই পানিগুলো একাধিকবার ব্যবহার করা যাবে এবং পাট গাছগুলোকে জাঁকের পানিতে পুরোপুরি ডুবিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

২) জাঁক দেওয়ার পর যখনই চাষীভাই বা তার প্রতিনিধি জাঁকের কাছে যাওয়ার সময় পাবেন, তিনি দু-এক বালতি পানি দিয়ে জাঁকের উপরিভাগের চট কাপড় বা বস্ত্মাটা ভালোভাবে ভিজেয়ে দেবেন। দেবেন যাতে জাঁকের পুরোটাই ভালোভাবে ভিজে থাকে।

৩)  প্রচলিত নিয়মে পাট পচনের শেষ সময় অর্থাৎ পচন সমাপ্তি নির্ণয় করতে হবে-যা পচঁন প্রক্রিয়ার মানসম্পন্ন পাটের আঁশ উৎপাদনে সহায়ক নয়।

৪) অতঃপর যথারীতি পাট আঁশ ছাড়ানো, পরিস্কার করা/ ধোঁয়ার পর যথাসম্ভব ময়লা ধূলো এড়িয়ে সম্ভব হলে বাঁশের উপরে ঝুলিয়ে শুকাতে হবে।

(খ) এই পদ্ধতিতে জাঁক দেওয়ার উপকারিতাঃ

১)      এর দ্বারা পাটের মান প্রায় এক গ্রেড উন্নত হয়।
২)     Retting (পচন) সময় কম লাগে।
৩)    এতে এমন কিছু অতিরিক্ত খরছ এর প্রয়োজনে নেই।

যদি কোন অঞ্চলে পানির অপর্যাপ্ততা থাকে তাহলে বিকল্প পদ্ধতি অনুসরণ করতে হয়, যেমন –

  • রিবন রেটিং পদ্ধতিঃ

[images picture_size=”fixed” lightbox=”yes” class=”” id=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/riboning-1.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/riboning-4.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/riboning-2.jpg” alt=””]
[image link=”” linktarget=”_self” image=”http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/09/riboning-3.png” alt=””]
[/images]

ছালকরনের জন্য পাট কাটার সময় :

এ পদ্ধতিতে দেশী পাটের বয়স ১০৫ হতে ১১০ দিন এবং তোষা বা বগী পাটের বয়স ১০০ হতে ১০৫ দিন হলেই পাট কাটতে হবে।

ছাল ছাড়ানোর পদ্ধতি :

১। প্রথমে ৬ ফুট বা প্রায় ১৮০ সেঃ মিঃ লম্বা এক খন্ড বোরাক বাঁশ নিয়ে ইহার এক প্রান্ত আড়াআড়িভাবে কাটতে হবে, যাতে বাঁশের প্রান্তটির দু’দিক ইংরেজী U (ইউ) অক্ষরের মত দেখায়। ইহাকে বাঁশের হুক বলা হয়।

২। এবার বাঁশ খন্ডটির অপর প্রান্ত আনুমানিক ১ হতে ১.৫ ফুট সুবিধা অনুযায়ী মাটির মধ্যে শক্ত করে পুঁতে দিতে হবে। পাশাপাশি ৩-৪ ফুট দুরে দুরে প্রয়োজনমত এমন কয়েকটি বাঁশের হুক সাড়িবদ্ধভাবে মাটিতে বসাতে হবে।

৩। এখন ঐ বাঁশের হুকগুলোর সংগে একটি মুরুলী বাঁশ দিয়ে আড়াআড়ি ভাবে আড়া বাঁধতে হবে যার উপর পাট গাছ দাড় করিয়ে রাখা যাবে।

৪। পাট গাছগুলো আড়ার উপর দাঁড় করানোর পূর্র্বে যথাসম্ভব গাছের পাতা হাত দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে গাছের গোড়ার ৩-৪ ইঞ্চি (৮-১০ সেঃ মিঃ) একটি শক্ত কাঠের/বাঁশের হাতুড়ি দিয়ে থেতলে নিতে হবে;

৫। এবার গাছের থেতলানো গোড়া বাঁশের হুকের/সিংগেল/ডাবল রোলার মধ্যে রেখে ছালগুলোকে হাত দিয়ে হুকের দু’দিকে দু’ভাগ করে দু’হাতে নিজের দিকে সজোরে টান দিতে হবে। দেখা যাবে পাটের ছালগুলো সহজেই পাট খড়ি হতে আলাদা হয়ে গেছে এবং পাট খড়িগুলো সামনের দিকে চলে গেছে। এভাবে ৪-৫টি পাট গাছের ছাল একসংগে বের করা সম্ভব।

৬। বাশেঁর হুক/সিংগেল/ডাবল রোলার রিবনারের সাহায্যে একই ভাবে পাটের রিবনিং করা যায়। পরে ছাল গুলোকে পরিমান সাইজের গোলাকার মোড়া বাঁধতে হবে এবং পাট খড়িগুলোকে শুকিয়ে নিতে হবে। তবে “ডাবল রোলার রিবনারের” সাহায্যে ছাল ছাড়ানো বেশী সুবিধাজনক।

ছাল পচানো, আঁশ ধোয়া এবং শুকানোর পদ্ধতি :

১। ছালের গোলাকার মোড়াগুলোকে বড় মাটির চাড়িতে রেখে পানি ভর্তি করে পচানো হবে। একটি বড় চাড়িতে প্রায় ৩০ কেজি কাঁচা ছাল পচানো সম্ভব।

২। যদি আশে পাশে ছোট ডোবা, পুকুর, খাল বা কম গভীরতা পানি সম্পন্ন জলাশয় থাকে তবে গোলাকার মোড়াগুলোকে একটা বাঁশের মধ্যে ঢুকিয়ে বাঁশটি পানিতে ডুবিয়ে অন্য দু’টি দন্ডায়মান বাঁশের সংগে বেঁধে ছালগুলো পচাতে হবে।

৩। বাড়ীর আশে পাশে অথবা জমির পাশে ১৫-১৬ ফুট লম্বা, ৬-৮ ফুট প্রস্থ এবং ২.০ ফুট গভীর আয়তনের গর্ত (পলিথিনের মাপ অনুসারে গর্তের মাপ কম বেশী হতে পারে) করে গর্তের তলা ও কিনারা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ছালের মোড়াগুলো গর্তে রেখে পানি দিয়ে গর্তটি ভর্তি করে ছালগুলো পচাতে হবে।

কম সময়ে ছাল পচানোর পদ্ধতি :

১। প্রতি ১০,০০০ কেজি কাঁচা ছালের জন্য ১ সের বা প্রায় ১ কেজি ইউরিয়া সার অথবা (২) একটি ছোট পাত্রে বা বালতিতে দু’একটা পাট গাছ ছোট ছোট টুকরো করে আগেই পচিয়ে নিয়ে ছাল পচাবার সময় পরিমানমত ঐ পানি জাগের সাথে মিশিয়ে দিলে পচন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়। কারণ এতে পানির পচনকারী জীবানুর বংশ ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়ক পরিবশ সৃষ্টি হয়।

তথ্যসূত্রঃ পাট, কেনাফ ও মেস্তা ফসলের কৃষি প্রযুক্তি হাতবই, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই), ঢাকা

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১২, ২০২১