রোগ আক্রমণের লক্ষণ:

ইক্ষুর বয়স ৩/৪ মাস থেকেই এ রোগ দেখা দেয় । আক্রান্ত গাছের মাথা কাল চাবুকের মত কয়েক ফুট লম্বা একটা শীষ বের হয় । আক্রান্ত গাছ সাধারণতঃ খর্বাকৃতির হয়ে থাকে । কান্ড পেন্সিলের মত চিকন ও শক্ত হয় এবং বাড়তে পারে না । আক্রান্ত গাছের পাতাগুলো সরু, খাট ও খাড়া হয় এবং হালকা সবুজ র্ং ধারণ করে । সাধারণতঃ মুড়ি ইক্ষুতে এ রোগের আক্রমণ বেশি পরিলক্ষিত হয় ।

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/11/smut-2.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/11/smut-1.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/11/smut-3.jpg[/slide]
[/slider]

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

১. রোগমুক্ত আনূমোদিত বীজ ব্যবহার করতে হবে
২. আগাম চাষ করা আগাম চাষ অনুসরণ করা ।
৩. রোগাক্রান্ত জমিতে মুড়ি ইক্ষুর চাষ বন্ধ করতে হবে

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

# আক্রান্ত গাছ জমি থেকে শিকড় সমেত তুলে ফেলুন

# ইক্ষু কাটার পর মোথাসমেত সমস্ত মরা মাতা পুড়িয়ে ফেলতে হবে ও প্রখর রোদ্র দ্বারা আক্রান্ত জমির মাটি শুকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে । 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই), ঈশ্বরদী, পাবনা এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২১