রোগের লক্ষণঃ

এটি একটি শরীরতাত্বিক রোগ । বাতাসে কোন কোন গ্যাস বিশেষত কার্বন মনো অক্সাইডের ঘনত্ব বেড়ে গেলে এ রোগ দেখা যায় । আমের আগার অংশ কাল হয়ে যায়, যায় এবং ভেতরের ভক্ষণযোগ্য অংশ নরম হয়ে নষ্ট হয়ে যায়।

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/11/black-tip.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/11/black-tip-1.jpeg[/slide]
[/slider]

রোগ দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ 

১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন
২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন
৩. ইট ভাটায় উচু চিমনি ব্যবহার করার ব্যবস্থা নিন
৪. ইট ভাটা থেকে কমপক্ষে ৫ কি.মি দূরে আমবাগান স্থাপন করুন।

রোগ দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ

বরিক এসিড অথবা কস্টিক সোডা ৬ গ্রাম/লি. হারে পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করা।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২১