রোগের লক্ষণঃ

এ রোগের আক্রমণে ফলের গায়ে উচু উচু কালো দাগ সারিতে দেখা যায় এবং ফল পচে যায়।

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/guava-diplodia-fruit-rot-2.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/guava-diplodia-fruit-rot-1.jpg[/slide]
[/slider]

রোগের সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ

রোগ দেখা দেয়ার পূর্বে করণীয়ঃ 

১.ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন
২. পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন
৩. নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন

রোগ দেখা দেয়ার পর করণীয়ঃ

# আক্রান্ত ফল ছাটাই করে ধ্বংস করা।
# দু একটি আক্রান্ত হলেই কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাক নাশক যেমন: গোল্ডাজিম বা ব্যাভিস্টিন বা নোইন ১০ লি. পানিতে ১০গ্রাম মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ২ বার স্প্রে করা। স্প্রে করার এক মাসের মধ্যে ফল খাওয়া যাবেনা।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), গাজীপুর এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২১