জাতঃ

এ দেশে বিভিন্ন জাতের ওল পাওয়া যায়। এর মধ্যে ‘মাদ্রাজি’জাত সর্বোৎকৃষ্ট। হালকা সবুজ রঙের জাত আর্লি হোয়াইট ভিয়েনা এবং বেগুনী রঙের জাত আর্লি পার্পল ভিয়েনা প্রসিদ্ধ। এছাড়াও অনুপম, বাম্পার হারভেষ্ট এফ১, আর্লি বল এফ১, ক্রান্তি এফ১, নিমাজিন এফ-১ ইত্যাদি জাত চাষ করা হয়ে থাকে। যথাযথ গবেষণার অভাবে এখনো উচ্চফলনশীল কোনো জাত এ দেশে উদ্ভাবিত হয়নি। 

গাছের বর্ণনা :
ওল মাটির নিচে জন্মানো একটি গুঁড়িকন্দ। ওলের গুঁড়িকন্দ গোলাকার বা লম্বাটে বিভিন্ন আকারের হতে পারে। কন্দের শীর্ষ ভাগ অনেকটা চাকতির মতো। প্রতিটি কন্দের ব্যাস ১০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার হতে পারে। ২০ কেজি ওজনেরও ওল বাজারে দেখা যায়। পাতার বোঁটা সরাসরি মাটি থেকে বের হয়। এটিকে অনেকে তাকে কাণ্ড বলে ভুল করেন। বোঁটা ওপরের দিকে কয়েকটি শাখায় বিভক্ত হয়ে পাতাগুলোকে দু’দিকে সাজায়। কন্দের বা চাকির আকার যত বড় হয় গাছ ও পাতার আকারও তত বড় হয় এবং ওলের আকারও সেভাবে আনুপাতিক হারে বাড়ে। পাতা যৌগিক। শীতকালে পাতা মরে যায়, কিন্তু মাটির নিচে কন্দ সুপ্ত অবস্খায় থাকে। পরে মৌসুমে বা শীতশেষে কন্দের কেন্দ্র থেকে পাতা বের হয়। মাটি থেকে কন্দ না তুলে রেখে দিলে কয়েক বছরে অনেক বড় ওল পাওয়া যায়। ওলগাছের অনেক বৈশিষ্ট্যই ভিন্ন ধরনের। তেমনি এর মূল বা শিকড়ও ওঠে মাটির ওপরের দিকে, নিচের দিকে শিকড় যায় না। কিন্তু কখনো মাটির ওপরে ওঠে না।

সূত্রঃ এগ্রোবাংলা.কম

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১