সেচ দেওয়া:
প্রয়োজনীয় পানির অভাব হলে ফল ধারন ব্যাহত হবে এবং যেসব ফল ধরেছে সেগুলো আস্তে আস্তে ঝড়ে যাবে। লাউয়ের সমস্ত জমি ভিজিয়ে প্লাবন সেচ দেওয়া যাবে  অথবা সেচ নালায় পানি দিয়ে আটকে রাখলে গাছ পানি টেনে নিবে। প্রয়োজনে সেচ নালা হতে ছোট কোন পাত্র দিয়ে কিছু পানি গাছের গোড়ায় সেচ দেওয়া যায়। শুষ্ক মৌসুমে চালকুমড়া ফসলে ৫-৭ দিন অন্তর সেচ দেয়ার প্রয়োজন পড়ে।

বাউনি দেওয়া:
চালকুমড়ার অধিক ফলন পেতে হলে অবশ্যই মাচায় চাষ করতে হবে। চালকুমড়া মাটিতে চাষ করলে ফলের একদিকে বিবর্ন হয়ে বাজারমূল্য কমে যায় এবং ফলে পচন ধরে। প্রাকৃতিক পরাগায়ন কমে যায় ফলে ফলনও কমে যায়।

মালচিং:
সেচের পর জমিতে চটা বাঁধে ও গাছের শিকড়াঞ্চলে বাতাস চলাচল ব্যাহত হয়। কাজেই প্রত্যেক সেচের পর হালকা মালচ্ করে গাছের গোড়ার মাটির চটা ভেঙ্গে দিতে হবে।

আগাছা দমন:
কিছু নির্দিষ্ট প্রজাতির ঘাস চালকুমড়া এর “মোজাইক ভাইরাস” রোগের আবাস স্থল। এছাড়াও গাছের গোড়ায় আগাছা থাকলে তা খাদ্যেপাদান ও রস শোষন করে নেয় বলে গাছে এসবের অভাব পড়ে। ফলে আশানরুপ ফল পাওয়া যায় না। তাই চারা লাগানো থেকে শুরু করে ফল সংগ্রহ পর্যন্ত জমি সবসময়ই আগাছা মুক্ত রাখতে হবে।

উৎসঃ চাষাবাদের মূলকথা, কৃষিবিদ গিয়াসউদ্দিন আহমদ

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১