জমিতে রসের অভাব থাকলে সেচ দিতে হবে।

বর্ষা মৌসুমে যাতে বৃষ্টির পানি দাঁড়াতে না পারে সেজন্য নিকাশ নালা রাখতে হবে।

জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে। সেচের পর জমি নিড়ানি দিয়ে আলগা করে দিতে হবে।

পেঁয়াজের কন্দ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফুলের কুঁড়ি দেখামাত্র ভেঙ্গে দিতে হবে।

 অন্তর্বর্তীকালীন পরিচর্যাঃ

পেঁয়াজের জমিতে মাটির প্রয়োজনীয় রস না থাকলে প্রতি ১০-১৫ দিন অন্তর পানি সেচ প্রয়োজন। পেঁয়াজের কন্দ উৎপাদনের ক্ষেত্রে ফুলের কলি দৃষ্টিগোচর হওয়া মাত্রই তা ভেঙ্গে দিতে হবে। পেঁয়াজ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। পেঁয়াজের জমিতে পানি নিকাশের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

সেচ (খরিফ) মৌসুমঃ

পেঁয়াজ চাষের জন্য সেচের গুরুত্ব অপরিসীম। সেচ সাধারণত বৃষ্টিপাত, বোনার সময়, মাটির অবস্থা ও চারা বা কন্দের উপর নির্ভর করে। পেঁয়াজের জমিতে যথেষ্ট পরিমাণ আর্দ্রতা থাকা প্রয়োজন। এটেল মাটি থেকে হালকা মাটিতে বেশি সেচের প্রয়োজন হয়। চারা মাটিতে প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ৩ দিন অন্তর সেচ দিতে হবে। কন্দ গঠিত হয়ে গেলে সেচ কম লাগে এবং পেঁয়াজের বাল্ব পরিপক্ক ও সংগ্রহের ক্ষমতা হ্রাস পায়। পেঁয়াজ ফসল দীর্ঘদিন সেচ সুবিধা তেকে বঞ্চিত হলে এবং হঠাৎ করে সেচ দিলে কন্দের শল্কপত্র ফেঁটে যেতে পারে এবং বাজার মূল্য কমে যায়। তাই সবসময় জমিতে জো অবস্থা বজায় রাখতে হবে।

শস্য বিন্যাসঃ

ক) রোপা আমন-পেঁয়াজ, পাট-পেঁয়াজ (গ্রীষ্ম), রোপা আমন-সরিষা-পেঁয়াজ এবং রোপা আমন-আলু-পেঁয়াজ।

খ) সাথী ফসলঃ আখ+পেঁয়াজ, আলু+পেঁয়াজ, মরিচ+পেঁয়াজ।

 তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি), জয়দেবপুর, গাজীপুর

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১