বাংলাদেশে দুই ধরনের মরিচ চাষ করা হয়ঃ

১। কম ঝাল বা ঝালবিহীন (Capsicum annum): ইহা সবুজ সবজি, আচার, এবং সালাদ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

২। ঝাল মরিচ (Capsicum frutesence):
ইহা মসলা হিসাবে ব্যবহৃত হয়। কেপসাইসিন নামক রাসায়নিক পদার্থের জন্য মরিচ ঝাঁঝালো হয়। কেপসানথিন নামক একটি রঞ্জক পদার্থের জন্য মরিচ উজ্জল ও লাল বর্ণের হয়।

স্থানীয় জাত সমূহঃ

১। শেরপুরের বালিঝুরি
২। মানিকগঞ্জের বিন্দু
৩। কুমিল্লার ইরি মরিচ, মিঠা মরিচ
৪। নরসিংদীর বাওয়া
৫। বগুড়া তরনি মরিচ, নয় মাইল, ঝালশুকা ও দীঘলা
৬। মাগুরার টেঙ্গাখালী
৭। পাবনার হলেন্দার
৮। কুষ্টিয়ার গোল মরিচ, আলমডাঙ্গা মরিচ
৯। মাঠউবদা (মোটা, কালো ও সাদা জাত)
১০। হালদা
১১। চাঁদপুরী মরিচ
১২। ফরিদপুরী মরিচ
১৩। কামরাংগা মরিচ
১৪। আকালী ও


উচ্চফলনশীল জাত সমূহঃ

জাতের নাম ক্লিক করুন গড় জীবনকাল (দিন) গড় ফলন (বিঘা প্রতি)
বারি মরিচ-১
(বাংলা লঙ্কা)
bari1 copy  বীজ হারঃ ১০৫-১৩০ গ্রাম/বিঘা
রবিঃ সেপ্টেম্বর
খরিফঃ মধ্য ফেব্রু-মধ্য মার্চ
কাঁচা ১.৩০-১.৬ টন ও শুকনো ৩৩০-৪০০ কেজি।
সংগ্রহঃ মধ্য এপ্রিল-মধ্য মে
সারা বছর চাষ করা যায়। ঝাল সহনশীল, পাকা মরিচ চকচকে লাল। প্রতি গাছে ৪০০-৫০০ টি মরিচ ধরে। গাছ প্রতি ৭০০-৭৫০ গ্রাম কাচা মরিচ পাওয়া যায়। কাচা ও পাকা উভয় অবস্থায়ই ঝাল সহনীয়।
বারি মরিচ-২ bari 2 ২৪০ দিন (মার্চ-অক্টোবর)
বীজ হারঃ ১০৫-২৭০ গ্রাম, বপনঃ এপ্রিল-মে’র ২য় সপ্তাহ
২.৬৭-২.৯৩
সংগ্রহঃ মধ্য জুলাই
গ্রীষ্মকালীন জাতের মরিচ। গাছ লম্বা ও ঝোপালো। ঝাল সহনশীল, পাকা মরিচ চকচকে লাল। প্রতি গাছে ৪৫০-৫০০ টি মরিচ ধরে। গাছ প্রতি ৭০০-৭৫০ গ্রাম কাচা মরিচ পাওয়া যায়। কাচা মরিচ ৫-৭ দিন পর্যন্ত ভাল ব্যবহার উপযোগি থাকে।
বারি মরিচ-৩ bari3 সংগ্রহঃ শীত-বসন্তকাল ১.৭-২.৩ টন
দেশের সর্বত্র শীতকালে চাষ করা যায়। ঝাল সহনশীল, পাকা মরিচ চকচকে লাল। প্রতি গাছে ৭০-৭৫ টি পাকা মরিচ ধরে। মরিচ লম্বা ও ওজন গড়ে ৩.০ গ্রাম। পরিপক্ক লাল ও শুকনা মরিচের অনুপাত ৪:১।


তথ্যসূত্রঃ কৃষি প্রযুক্তি হাত বই, বিএআরআই, গাজীপুর 

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১