পোকার আক্রমণের লক্ষণ:

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/mealybug-2.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/mealybug.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/rice-mealybug-2.jpeg[/slide]
[/slider]

শুকনো আবহাওয়ায় বা খরার সময়ে এবং যে সমস্ত জমিতে বৃষ্টির পানি মোটেই দাঁড়াতে পারে না সে ধরনের অবস্থায় ছাতরা পোকার আক্রমণ বেশী দেখতে পাওয়া যায়। এরা গাছের রস শুষে খাওয়ার ফলে গাছ খাটো হয়ে যায়। আক্রমণ বেশী হলে ধানের শীষ বের হয় না। আক্রান্ত ক্ষেতের গাছগুলো জায়গায় জায়গায় বসে গেছে বলে মনে হয়। স্ত্রী ছাতরা পোকা খুব ছোট, লালচে সাদা রঙের, নরম দেহবিশিষ্ট, পাখাহীন এবং গায়ে সাদা মোমজাতীয় পদার্থের আবরণ থাকে। এরাই গাছের ক্ষতি করে। এক সাথে অনেকগুলো ছাতরা পোকা গাছের কান্ড ও খোল এবং পাতার খোলের মধ্যবর্তী জায়গায় থাকে। পুরুষ পোকা এী পোকার অনুপাতে সংখ্যায় খুবই কম বলে বিশেষ ক্ষতি করতে পারে না। এদের দু’টো পাখা আছে।

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ ধানের চারা রোপণের সাথে সাথেই পার্চিং করতে হবে।

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

# আক্রমণের প্রথম দিকে সনাক্ত করতে পারলে আক্রান্ত গাছগুলো উপরে নষ্ট করে ফেলে এ পোকার আক্রমণ ও ক্ষতি ফলপ্রসূভাবে কমানো যায়;
# শুকনো জমিতে সেচ দেওয়ার ব্যবস্থা করা;
# শুধুমাত্র আক্রান্ত জায়গায় ভাল করে অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করলে দমন খরচ কম হয়। অনুমোদিত কীটনাশকের কতিপয় নমূনা নিম্নরুপঃ

গ্রুপের নাম বানিজ্যিক নাম ও ব্যবহার মাত্রা
কার্বোসালফান মার্শাল ২০ ইসি (এপি-৯১) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
ফেনিট্রথিয়ন সুমিথিয়ন ৫০ ইসি (এপি-৫৪০) অথবা ফেনিটক্স ৫০ ইসি (এপি-৪) বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে
আইসোপ্রোকার্ব (MIPC) মিপসিন ৭৫ wp (এপি-৫৩৯) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে প্রয়োগ করতে হবে


তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), গাজীপুর এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ১২, ২০১৬