পোকার আক্রমণের লক্ষণ:

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/glh.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/Green_leafhopper_RTBV.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/glh-syptom.gif[/slide]
[/slider]

সবুজ বর্ণের এ পোকার পাখায় কাল দাগ থাকে। এরা টুংরো ও হলুদ বামন রোগ ছড়ায়।

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

১. আক্রান্ত ক্ষেত থেকে বীজ সংগ্রহ করবেন না

২. রোগ সহনশীল জাত যেমন: বিআর২২, বিআর২৩, ব্রি ধান৩১ ও ব্রি ধান৪১ চাষ করা যেতে পারে।
৩. পরিস্কার পরিচ্ছন্ন চাষ করা।
৪. সুষম পরিমানে ইউরিয়া, টিএসপি এবং পটাশ সার ব্যবহার করা।
৫. ধানের জাত অনুসারে সঠিক দুরত্বে চারা রোপণ করা (তবে ২৫x২০ সেন্টিমিটার দূরত্বই ভাল)।

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

১. আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে পাতা ফড়িং মেরে ফেলা;
২. হাত জালে প্রতি একশত টানে ৪০-৫০ টি সবুজ পাতাফড়িং পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক অনু্মোদিত মাত্রায় ব্যবহার করা যেতে পারে; উদাহরণস্বরুপ কতিপয় অনুমোদিত কীটনাশকে নাম উল্লেখ করা হলো- 

গ্রুপের নাম বানিজ্যিক নাম ও ব্যবহার মাত্রা
কার্বারিল সেভিন ৮৫ wp (এপি-৩৩৮) বিঘা প্রতি ২২৭.৫ গ্রাম হারে অথবা
ফেনিট্রথিয়ন সুমিথিয়ন ৫০ ইসি (এপি-৫৪০) বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে অথবা
ডাইমেথোয়েট রগর ৪০ L (এপি-১৪১) অথবা পারফেকথিয়ন ৪০ ইসি (এপি-৫৪৯) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
আইসোপ্রোকার্ব (MIPC) মিপসিন ৭৫ wp (এপি-৫৩৯) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
ম্যালাথিয়ন ফাইফানন ৫৭ ইসি (এপি-১০) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
কারটাপ সানটাপ ৫০ wp (এপি-২১৭) বিঘা প্রতি ১৬০.৬৫ গ্রাম হারে প্রয়োগ করতে হবে।


তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), গাজীপুর এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : আগস্ট ১২, ২০১৬