পোকার আক্রমণের লক্ষণ:

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/hispa-1.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/rh2.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/rice-hispa.jpeg[/slide]
[/slider]

ক্ষতিগ্রস্থ পাতায় শিরার সমান্তরালে লম্বালম্বি দাগ পড়ে। পূর্ণ বয়স্ক ও গ্রাব দুই অবস্থায় ধানের ক্ষতি করে। ক্রীড়াগুলি পাতার দুই পর্দার মাঝে সুড়ঙ্গ করে সবুজ অংশ খাওয়ার ফলে পাতা শুকিয়ে যায়। বাড়ন্ত ধানের জমিতে আক্রমন বেশী হয়।

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

# আইল বা পার্শ্ববর্তী জায়গায় আগাছা পরিস্কার করা।

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

# হাত জালের সাহায্যে বয়স্ক পোকা ধরে মাটিতে পুঁতে ফেলা।
# আক্রান্ত ক্ষেতের পাতা ৩- ৪ সে.মি. কেটে ধ্বংস করা।
# শতকরা ৩৫ ভাগ পাতার ক্ষতি হলে অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় ব্যবহার করা। যেমন: ক্লোরপাইরিফস গ্রুপের যেমন: ক্লাসিক বা পাইরিফস বা লিথাল ২ মিলি/ লি. হারে অথবা কারটাপ গ্রুপের যেমন: কাটাপ বা কারটাপ বা ফরওয়াটাপ কীটনাশক ১.৬ গ্রাম/ লি হারে পানিতে মিশিয়ে বিকালে স্প্রে করা।

গ্রুপের নাম বানিজ্যিক নাম ও ব্যবহার মাত্রা
এবামেকটিন টপটিন (AP-১১৫৩)/লিকার(AP-১২০৬)/আলবা (AP-১৪৬৭) ১.৮ ইসি  বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে অথবা
এসিফেট চ্যালেঞ্জার (AP-৫৯৮)/ইমপ্যাক্ট (AP-৮৩৬) ৭৫ SP বিঘা প্রতি ১০০ গ্রাম হারে অথবা
এসিটামিপ্রিড বিসমার্ক (এপি-১০৫২) ২০ SP বঘিা প্রতি ১৬.৭ গ্রাম হারে অথবা
কার্বারিল সেভিন ৮৫ SP (এপি-৩৩৮) বিঘা প্রতি ২২৭.৫ গ্রাম হারে অথবা
কার্বোসালফান মার্শাল (এপি-৯১)/সানসালফান (এপি-৩৮০)/মিমসালফান (এপি-৮৩০) ২০ ইসি  বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
কারটাপ সানটাপ (এপি-২১৭)/কেয়ার (এপি-৬৫৪) ৫০ এসপি বিঘা প্রতি ১০৭ গ্রাম হারে অথবা
ক্লোরোপাইরিফস ডারসবান (এপি-৯৩)/ক্লাসিক (এপি-৩৪৫) ২০ ইসি বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে/ভিটাবান (এপি-১১৪৯) ২০ ইসি /গোলা (এপি-১২৭১) ৪৮ ইসি বিঘা প্রতি ৬৭ মিলি হারে অথবা
ডাইমেথোয়েট রগর ৪০ L (এপি-১৪১) অথবা পারফেকথিয়ন ৪০ ইসি (এপি-৫৪৯) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি হারে অথবা
ফেনিট্রথিয়ন ফেনিটক্স (এপি-৪)/সুমিথিয়ন (এপি-৫৪০)/ইমিথিয়ন (এপি-২৬১) ৫০ ইসি বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে অথবা
ফিপ্রনিল রিজেন্ট (এপি-৪৯৮)/গুলি (এপি-৭৭৯)/এনভয় (এপি-১১০২)/প্রিন্স (এপি-২১৭৯) ৫০ এসসি বিঘা প্রতি ৬৭ মিলি হারে অথবা
ইমিডাক্লোপ্রিড টিডো (এপি-৪৬৮)/ইমিটাফ (এপি-৪৪৯)/ইমপেল (এপি-১২৭০) ২০ এসএল/জাদীদ (এপি-১৬৬৩) ২০০ এসএল  বিঘা প্রতি ১৬.৭ মিলি হারে
আইসোপ্রোকার্ব (MIPC) মিপসিন (এপি-৫৩৯) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি/সপসিন (এপি-২৮৫) ৭৫ wp ১৭৪ মিলি হারে অথবা
ম্যালাথিয়ন ফাইফানন  (এপি-১০) বিঘা প্রতি ১৫০ মিলি/সাইফানন (এপি-১৮১)/ম্যালাটাফ (এপি-২৩৫)/জি-থিয়ন (এপি-৬৮৫) ৫৭ ইসি বিঘা প্রতি ১৩৪ মিলি হারে অথবা
কুইনালফস করলাক্স ২৫ EC (এপি-৩৯১)/কিউর (এপি-৯৬৩) বিঘা প্রতি ২০০ মিলি হারে প্রয়োগ করতে হবে।


তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), গাজীপুর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ঢাকা এবং Farmers’ window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১