[slider width=”100%” height=”60%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/file-12.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/images.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/Pomegranate_fruit_borer.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/10/33254100.butterfly.jpg[/slide]
[/slider]

পোকার বৈশিষ্ট্যঃ

  • পূর্ণবয়স্ক প্রজাপতি মধ্যমাকৃতি৷
  • পুরুষ প্রজাপতি উজ্জ্বল নীলচে বেগুনী এবং স্ত্রী প্রজাপতি বাদামি বেগুনী৷ তবে স্ত্রী প্রজাপতির সামনের পাখায় কমলা রঙের ছাপ বিদ্যমান৷
  • পূর্ণাঙ্গ শুককীট ১৭-২০ মিলিলিটার লম্বা, গাঢ় বাদামি, গায়ে ছোট ছোট লোম আছে ও সারা শরীরে সাদাটে ছাপ বিদ্যমান৷

ক্ষতির প্রকৃতি: 

  • ডালিম ফলের মারাত্মক শত্রু হচ্ছে ডালিমের প্রজাপতি বা ফল ছিদ্রকারী পোকা। এই প্রজাতির শূঁককীট ফলের ক্ষতি করে থাকে। স্ত্রী প্রজাপতি ফুল ও ছোট ফলের ওপর ডিম পাড়ে। ডিম থেকে শূঁককীট বের হয়ে বর্ধনশীল ফলে ছিদ্র করে ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং ফলের বীজ ও অন্যান্য অংশ খেয়ে ফেলে। পরে মূককীটে পরিণত হওয়ার পূর্বে ফলের ত্বকে গোলাকার ছিদ্র করে ফল থেকে বের হয়ে আসে এবং ছিদ্র দিয়ে শুককীটের মল ফলের বাইরে বের হয়ে আসে৷ ফলে ছিদ্রের চারদিকে মল দেখতে পাওয়া যায়৷ এই পোকায় আক্রান্ত ফলে মাধ্যমিক সংক্রমণ হিসেবে ছত্রাক ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হতে পারে। 
  • আক্রান্ত ফল হতে বিশ্রী গন্ধ বের হয়৷
  • আক্রান্ত ডালিম মাটিতে ঝরে পড়ে৷
  • ফল খাওয়ার অযোগ্য হয়ে পড়ে৷ 

পোকার আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

  • গাছের মরা ডালপালা পরিষ্কার রাখতে হবে।

পোকার আক্রমণের পর করণীয়ঃ

  • আক্রান্ত ফল গাছ থেকে পেড়ে বা মাটিতে পড়ে থাকা ফল ও পোকা সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে হবে।
  • বাড়ন্ত ফলগুলোকে কাপড়ের থলে দিয়ে ডেকে দিতে হবে৷ এতে স্ত্রী প্রজাপতি ফলের গায়ে ডিম দিতে পাড়তে পারে না৷
  • ডালিম গাছে যখন ফল ধরতে শুরু করে তখন প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে ম্যালাথিয়ন বা কার্বারিল বা ফস্‌ফামিডন গ্রুপের কীটনাশক দিয়ে ১৫ দিন অন্তর অন্তর গাছে ও ফলে সেপ্র করতে হবে, যেমনঃ
কীটনাশকের গ্রুপের নাম বানিজ্যিক কীটনাশকের কতিপয় নমূনা

ও অনুমোদিত মাত্রা

ক্রিয়ার ধরণ ও বিষক্রিয়ার মেয়াদ
কার্বারিল [accordian class=”” id=””]
[toggle title=”বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন” open=”no”]বায়ার ক্রপ সায়েন্সের সেভিন ৮০ wp (ap-৩৩৮)  @ ৩.৪ গ্রাম/লি. পানি হারে মিশিয়ে গাছে ভালভাবে স্প্রে করা যেতে পারে;  অথবা[/toggle][/accordian]
 
ম্যালাথিয়ন [accordian class=”” id=””]
[toggle title=”বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন” open=”no”]সেমকো কোম্পানীর ফাইফানন ৫৭ ইসি; অথবা সাইফানন ৫৭ ইসি @ ২.২৪ মিলি/লি. পানি হারে মিশিয়ে গাছে ভালভাবে স্প্রে করা যেতে পারে;  অথবা[/toggle][/accordian]
ফসফামিডন [accordian class=”” id=””]
[toggle title=”বিস্তারিত দেখতে ক্লিক করুন” open=”no”]ডাইমেক্রন @ ১ মিলি/লি. পানি হারে মিশিয়ে গাছে ভালভাবে স্প্রে করা যেতে পারে;  অথবা[/toggle][/accordian]
সিস্টেমিক (শক্তিশালী পাকস্থলী এবং হালকা স্পর্শক)

তথ্য সূত্রঃ http://www.jeeon.com.bd এবং http://www.bdkrishinews.com

 

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২১