বংশবিস্তার/চারা উৎপাদনঃ

কমলা বীজ ও কলমের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করা যায়। বীজ থেকে একাধিক চারা পাওয়া যায়। একটি যৌন ও বাকীগুলো অযৌন চারা। তুলনামূলকভাবে সতেজ ও মোটা চারাগুলো অযৌন চারা। গুটি কলম, চোখ কলম ও জোড় কলমের মাধ্যমে কমলার চারা উৎপাদন করা যায়।

জমি তৈরীঃ

জমি তৈরীর পর উভয় দিকে ৮.৭৫ থেকে ১১ হাত দূরত্বে গর্ত করতে হবে। গর্তের আকার হবে ২.৫ ফুট × ২.৫ ফুট × ২.৫ ফুট । কমলা চাষের জমি পাহাড়ি হলে ৬৫ থেকে ১১০ হাত দূরত্বে ২-৪ টি বড় গাছ রাখা যেতে পারে।

চারা রোপণ পদ্ধতি ও সময়ঃ

সমতল ভূমিতে বর্গাকার বা ষড়ভুজাকার পদ্ধতি এবং পাহাড়ী ভূমিতে কন্টুর পদ্ধতিতে কলম রোপণ করতে হবে। চারা রোপণের পর হালকা ছায়ার ব্যবস্থা করতে পারলে ভাল। বর্ষার শুরুতে অর্থাৎ বৈশাখ (মে-জুন) মাস কমলার চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে সেচের ব্যবস্থা থাকলে সারাবছরই চাষ করা যায়।

মাদাতৈরীঃ

চারা রোপণের ১৫-২০ দিন পূর্বে গর্ত করে ১৫ কেজি পচা গোবর, ৩-৫ কেজি ছাই, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম পটাশ সার ও ২৫০ গ্রাম চুন মাটির সাথে মিশিয়ে গর্ত বন্ধ করে রাখতে হবে। গর্ত ভরাটের ১০-১৫ দিন পর চারা রোপণ করতে হবে।

চারা রোপণঃ

কলমকৃত ১ থেকে ১.৫ বছর বয়সের চারা সাবধানে গর্তের মাঝখানে খাড়া করে লাগাতে হবে। চারা রোপণের পর গোড়ার মাটি ভালভাবে চেপে হালকা সেচ দিতে হবে। অতঃপর খুটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে।

তথ্যসূত্রঃ কৃষি প্রযুক্তি হাত বই

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২১