রোগ আক্রমণের লক্ষণ:

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/LateBlight-Tomato.jpg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/tomatolatebligh-2.jpg[/slide]
[/slider]

পাতার উপর ফ্যাকাসে অথবা ফিকে সবুজ রংয়ের গোলাকার অথবা এলোমেলো পানি ভেজা দাগ পড়ে । কুয়াশাচ্ছন্ন ও মেঘলা আবহাওয়ায় দাগ সংখ্যা ও আকার দ্রুত বাড়তে থাকে । বাদামী থেকে কালচে রং ধারণ করে । রোগের আক্রমণ বেশী হলে গাছের কান্ডেও রোগের লক্ষণ প্রকাশ পায় । রোগের লক্ষণ দেখা দেয়ার ৩-৪ দিনের মধ্যে গাছ ঝলসে যায় ও দ্রুত মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়ে ।

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

  • রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করা ।
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জাত ব্যবহার করা;
  • প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম আইপ্রোডিয়ন বা মেনকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: রোভরাল বা গ্রাম ডাইথেন এম ৪৫ মিশিয়ে বীজ শোধন করা;
  • একই জমিতে বার বার টমেটো চাষ করবেন না; 
  • সুস্থ, সবল ও রোগ সহনশীল জাত চাষ করা;
  • নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করুন। 
  • সুষম সার প্রয়োগ করুন।

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

  • আক্রান্ত গাছ সংগ্রহ করে ধ্বংস করা ।
  • রোগের অনুকুল পূর্বাভাস (কুয়াশাচ্ছন্ন ও মেঘলা আবহাওয়ায় ) পাওয়া মাত্র প্রতিরোধক হিসাবে (ম্যানকোজেব + মেটালেক্সিল) জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন: রিডোমিল গোল্ড বা করমি বা মেটারিল বা ম্যানকোসিল বা ক্রেজি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করা;
  • রোগের আক্রমণ বেশী হলে প্রতি লিটার পানিতে-২ গ্রাম সিকিউর মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায় ।

তথ্যসূত্রঃ ১। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর

২। Farmer’s window এবং www.google.com

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১