রোগ আক্রমণের লক্ষণ:

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/footrot-of-okra.jpeg[/slide]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2015/12/footrot-of-okra-2.jpeg[/slide]
[/slider]
আক্রান্ত চারার গোড়ার চারদিকে দাগ দেখা যায় । শিকড় পচে যায়, চারা নেতিয়ে পড়ে গাছ মারা যায় । স্যাতস্যাতে মাটি ও মাটির উপরিভাগ শক্ত হলে রোগের প্রকোপ বাড়ে । রোগটি মাটিবাহিত বিধায় মাটি, আক্রান্ত চারা ও পানির মাধ্যমে বিস্তার লাভ করে ।

সমন্বিত ব্যবস্থাপনাঃ

আক্রমণের আগে করণীয়ঃ

১. আগাম বীজ বপন করা
২. সুষম সার ব্যবহার করা
৩. রোগ প্রতিরোধী জাত যেমন: বারি ঢেঁড়স চাষ করা

৫. আক্রান্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করবেন না

আক্রমণ হলে করণীয়ঃ

১. আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করা ।
২. কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক যেমন: ব্যাভিস্টিন ২ গ্রাম / লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে গোড়ার মাটিসহ ভিজিয়ে দেওয়া ।

তথ্যসূত্রঃ ১। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর

২। Farmer’s window এবং www.google.com

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১