রোগের লক্ষণ: 

এটি একটি ক্ষতিকারক ছত্রাকজনিত রোগ । কান্ডের উপরের অংশে এ রোগ আক্রমণ করে । এর ফলে ক্ন্দ পচে যায়, গাছ হলুদ থেকে লালচে হয়ে মারা যায় ।

[slider width=”100%” height=”100%” class=”” id=””]
[slide type=”image” link=”” linktarget=”_self” lightbox=”yes”]http://agrivisionbd.com/wp-content/uploads/2016/07/rhizome-rot-2.jpeg[/slide]
[/slider]

সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থাপনা (আইপিএম) :

রোগ আক্রমণের পূর্বে করণীয়ঃ

১. স্বাস্থ্যবান এবং রোগমুক্ত রাইজোম বীজের জন্য নির্বাচন করে বপন করুন
২. উন্নত জাতের আদা বপন করুন;

৩. রোগমুক্ত গাছ থেকে কন্দ সংগ্রহ করা;

৪. রোগ প্রতিরোধক জাত ব্যবহার করা;

৫. কাঁচা গোবর পানিতে গুলে কন্দ শোধন করে ছায়ায় শুকিয়ে ব্যবহার করা;

৬. প্রতি লিটার পানিতে ৩-৪ গ্রাম ট্রাইকোডারমা ভিড়িডি জাতীয় জীবানু মিশিয়ে কন্দ শোধন কর;

৭. দুই গ্রাম ব্যাভিষ্টিন বা নোইন বা রোডোমিল গোল্ড ৩ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে আদা শোধন করে ছায়ায় শুকিয়ে ব্যবহার করা।

রোগ আক্রমণের পর করণীয়ঃ

• আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করা বা পুড়ে ফেলা ।
* রোগ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ব্যাভিষ্টিন বা নোইন বা রোডোমিল গোল্ড বা ডাইথেন এম-৪৫ বা ৪গ্রাম কুপ্রাভিট বা ১% বর্দোমিকচার মিশিয়ে গাছের গোড়ায় স্প্রে করা।

তথ্যসূত্রঃ ১। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এবং ২। Farmer’s Window

Print Friendly, PDF & Email

সর্বশেষ আপডেট : ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২১